এটি একটি ক্রাউড ফান্ডিং বিজনেস মডেল। আমাদের মূল লক্ষ্য “সুলভ মূল্যে খাঁটি উপাদানের মসলা বাজারজাতকরণ এবং শিক্ষার্থীদের সুলভ মূল্যে খাতা-কলম ও স্টেশনারি সরবরাহের মাধ্যমে একটি চলমান ব্যবসাকে একটি টেকসই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা।” এমতাবস্থায় মাত্র ১,০০০/- মূল্যের একটি শেয়ার কিনে হতে পারেন "স্বাগতম বাংলাদেশ লিমিটেড" কোম্পানির সক্রিয় অংশীদার।
শুধুমাত্র কুড়িগ্রাম জেলা ও পাশ্ববর্তী অঞ্চলের মুসলিম ধর্মীয় আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করা হবে। এই ক্যাম্পেইনে ১মে আল্লাহ ও পরে আপনাদের সহযোগীতায় আমরা সফল হলে পরবর্তী ক্যাম্পেইনে আমরা বৃহত্তর রংপুর বিভাগ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ...
বিনিয়োগ সময়কাল-
২৫.০৯.২০২৬ থেকে ৩০.১০.২০২৬ পর্যন্ত।
১. কেন বিনিয়োগ করবেন?
অতিরিক্ত আয়: ব্যবসা সফল হলে নিয়মিত মুনাফা বা লভ্যাংশ পাওয়া যায়।
টাকার মান রক্ষা: টাকা অলস ফেলে রাখলে মূল্যস্ফীতির কারণে তার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায় কিন্তু ব্যবসায় খাটলে টাকার সঠিক ব্যবহার হয়।
সম্পদ বৃদ্ধি: সময় ও সুযোগের সাথে ব্যবসার পরিধি বাড়লে আপনার বিনিয়োগ করা মূলধনের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়।
নিষ্ক্রিয় আয়: নিজে সরাসরি সময় না দিয়েও ব্যবসার অংশীদার হয়ে বাড়তি আয় তৈরি করা সম্ভব।
আর্থিক নিরাপত্তা: ভালো ব্যবসা থেকে নিয়মিত আয় এলে ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত আর্থিক ভিত্তি তৈরি হয়।
২. আমাদেরকেই কেন বিনিয়োগ করবেন?
স্বাগতম বাংলাদেশ লিমিটেডের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্য- বিশেষ করে খাঁটি ও সুলভ মূল্যের পণ্য বাজারজাত করা। বর্তমানে আমাদের আলিয়া ব্র্যান্ডের হলুদের গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া বাজারজাত হচ্ছে।
পর্যায়ক্রমে ধনিয়ার গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, পাঁচফোড়ন, গরম মসলার গুঁড়া এবং সরিষার তেল, সয়াবিন তেল বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য সুলভ মূল্যে খাতা, কলম ও অন্যান্য স্টেশনারি পণ্য সরবরাহের পরিকল্পনাও রয়েছে। আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে চাই, যেখানে বিনিয়োগের অর্থ ব্যবসার সম্প্রসারণে ব্যবহার করা হবে। তাই এখানে বিনিয়োগের মাধ্যমে একজন বিনিয়োগকারী ব্যবসার প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
৩. আমাদেরকে বিনিয়োগ করার গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো-
আমরা বর্তমানে রানিং ব্যবসা করে আসছি।
কারখানা সম্প্রসারণের প্রয়োজনে অতিরিক্ত জায়গা/জমি আছে।
মূল রাস্তার পাশে অফিস ও কারখানার অবস্থান তাই আপনি যাওয়া আসার পথে অফিস ভিজিট করে কার্যক্রম দেখে যেতে পারবেন।
আমরা ব্যবসায়ের অভ্যন্তরের যাবতীয় বিষয়, সুবিধা-অসুবিধা, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রুপে নোটিশ আকারে জানাবো। এতে আপনি ব্যবসায়ীক ধারণা পাবেন যা পরবর্তীতে নিজের ব্যবসা দাঁড় করাতে কাজে লাগবে।
সকল বিনিয়োগকারী মিলে একটি কমিউনিটি তৈরি করব যেটার মাধ্যমে আমরা সবাই উপকৃত হব।
হাতের কাছে ইসলামিক শরিয়াহ সম্মত বিনিয়োগ অপশন।
প্রতিমাসে ২% পর্যন্ত মুনাফা, বার্ষিকে ২০% পর্যন্ত রিটার্ন।
৪. কমিউনিটি থেকে আমরা কি কি সুবিধা পাবো?
আমাদের বিনিয়োগ করলে অবহেলিত কুড়িগ্রামে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বর্তমানে কমিউনিটির সকল সদস্য আমাদের পণ্যগুলো পাইকারি মূল্যে পেতে থাকবেন।
আমরা সামনের বছর কুড়িগ্রামে এবং পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায়ে সুপারশপ চালু করবো যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ছাড় ও বিশেষ সুবিধা পাবেন।
এছাড়া এমন কিছু ব্যবসায়িক গোপন পরিকল্পনা আছে যা সবার উদ্দ্যেশ্যে প্রকাশ করলে ব্যবসায়ের গোপনীয়তা রক্ষা হবে না।
বিশেষ উৎসবে একত্রে সবাই পাইকারি মূল্যে পণ্য কিনে নিতে পারবো এতে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কেনার সুবিধা পাওয়া যাবে।
কোনো সামাজিক সমস্যা দেখা দিলে এই কমিউনিটির সবাই একত্রে এগিয়ে আসলে তা নিমিষেই সমাধান করা সম্ভব হবে।
এছাড়া সমাজে উন্নয়নমুলক কাজ কমিউনিটির মাধ্যমে অংশগ্রহণ করার সুযোগ তৈরি হবে।
৫. কারা আমাদের কাছে বিনিয়োগ করতে পারবেন?
মুসলিম ধর্মালম্বী কুড়িগ্রাম জেলা ও পাশ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দা। যারা আমাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, বিনিয়োগের শর্ত ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বুঝে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী যারা শিক্ষার্থী, চাকরিজীবি, ক্ষুদ্র বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, সঞ্চয় করতে চেষ্টা করছেন বা ব্যাংকে টাকা জমা রেখে সুদ/মুনাফা পাচ্ছেন, ছোট বিনিয়োগ থেকে শুরু করবেন ভাবছেন তারা আমাদের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন।
৬. ব্যাংকে টাকা জমা না রেখে স্বাগতম বাংলাদেশ লিমিটেডে বিনিয়োগ করব কেন?
ব্যাংকে টাকা রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো সঞ্চয় এবং নির্দিষ্ট হারে সুদ/মুনাফা অর্জন। অন্যদিকে ব্যবসায় বিনিয়োগের উদ্দেশ্য হলো একটি চলমান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ব্যবসায়িক মুনাফা অর্জন করা যা সম্পূর্ণরূপে হালাল উপায়।
এছাড়া ব্যাংক FDR পদ্ধতিতে আপনাকে বাৎসরিক সর্বোচ্চ ৮-১০% সুদ/মুনাফা দেয়, এর মধ্যে থেকে বছর শেষে SMS ফি, আয়কর ও ভ্যাট কর্তন করা হয় যা হিসাব করলে দেখা যায় ৭% এরও কম সুদ/মুনাফা পাওয়া যায়। সেখানে আমরা আপনার আমানতের উপর ১০-২৪% পর্যন্ত মুনাফা দিতে চেষ্টা করে যাবো ইনশাআল্লাহ্।
৭. কতদিনের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে?
বিনিয়োগের মেয়াদ আপাতত ২ বছর। মেয়াদ শেষে আপনি চাইলে বিনিয়োগ ফেরত পাবেন অথবা নতুন মেয়াদে পুনরায় বিনিয়োগ করতে পারবেন। মেয়াদ থাকাকালীন বছরে ৪ বার অর্থাৎ ৩ মাস পরপর যে কোনো সময় আপনি বিনিয়োগ ফেরত নিতে পারবেন।
৮. বিনিয়োগের মূল টাকা কি ফেরত পাব?
যেহেতু বিনিয়োগের মেয়াদ আপাতত ২ বছর তাই মেয়াদ শেষে আপনি বিনিয়োগ ফেরত পাবেন। অথবা পরবর্তী নতুন মেয়াদে পুনরায় বিনিয়োগ করতে পারবেন। তবে এই বিনিয়োগের মেয়াদে বিনিয়োগ অর্থ ফেরত নিতে কমপক্ষে ১ মাস পূর্বে আমাদের মেসেজের মাধ্যমে জানাতে হবে। ১ মাসের মধ্যে আপনার দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিনিয়োগ ফেরত দেওয়া হবে।
৯. মোট কত টাকা সংগ্রহ করা হবে এবং কতজন বিনিয়োগকারী নেওয়া হবে?
আমাদের টার্গেট- যদি আগামী ১ মাসের মধ্যে মাত্র ৩,০০০ শেয়ার বিক্রি অথবা ৩০ লক্ষ টাকা সম্পূর্ণ হয় তাহলে আমরা বিনিয়োগ নেওয়া বন্ধ করবো।
১০. সর্বনিম্ন কত টাকা বিনিয়োগ করা যাবে?
প্রতিটি বিনিয়োগ ইউনিটের মূল্য ১,০০০ টাকা, অর্থাৎ ১টি শেয়ার ১,০০০ টাকা। একজন বিনিয়োগকারী সর্বোচ্চ ১০০০টি (১০ লক্ষ টাকা) শেয়ার কিনতে পারবেন। তবে ১০ টির বেশি শেয়ার কিনতে আমাদের সাথে আগে আলোচনা করতে হবে। ১০ টির বেশি শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী চাইলে নিশ্চয়তা স্বরূপ শেয়ার সমমূল্যের কোম্পানির ব্যাংক চেক নিতে পারবেন।
১১. মুনাফা কীভাবে দেওয়া হবে?
প্রতিটি বিনিয়োগ ইউনিট/শেয়ারের মূল্য ১,০০০ টাকা। চুক্তিতে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী বিনিয়োগকারী বাৎসরিক আনুমানিক ১০%–২০% পর্যন্ত মুনাফা পাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং মুনাফা প্রতি মাসের ১ম সপ্তাহে আপনার দেওয়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রদান করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উদাহরণস্বরূপ- ১,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে বার্ষিক ১০% হারে মুনাফা হলে বছরে ১০,০০০ টাকা এবং ২০% হলে ২০,০০০ টাকা হতে পারে।
তবে এটি নিশ্চিত বা ঝুঁকিমুক্ত রিটার্ন হিসেবে বিবেচিত হবে না- চূড়ান্ত মুনাফা বিনিয়োগ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
১২. মুনাফার হার ১০-২০% কী নিশ্চিত, নাকি ব্যবসার লাভের ওপর নির্ভরশীল?
এক কথায় এটি নির্ভর করে সম্পূর্ণরূপে ব্যবসায়ের লভ্যংশের উপর। একটি ব্যবসায়ের মুনাফা আসে তার বিক্রি থেকে। তাই কাঁচামাল, মেশিনারি, মজুদপণ্য ও মোট সম্পদের মূল্য যাই হোক মুনাফার হার নির্ভর করে তার বিক্রয়ের উপর। মাসিক বিক্রি যত হবে তার লভ্যংশ থেকে উৎপাদন খরচ, বিপণন খরচ, ভাড়া ও ইউটিলিটি ব্যয় বাদ দিয়ে কোম্পানির ভবিষ্যৎ তহবিল রেখে নীট লভ্যংশ যা হবে তা থেকে সকল অংশীদারদের আনুপাতিক হারে মুনাফা প্রদান করা হবে।
১৩. আমার বিনিয়োগের টাকা কোথায় ব্যবহার করা হবে?
বিনিয়োগের অর্থ কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেমন-
মসলা উৎপাদন ও প্যাকেজিং
কাঁচামাল ক্রয় ও নতুন পণ্য বাজারজাতকরণ
বিপণন ও ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ
স্টেশনারি ব্যবসা সম্প্রসারণ
ব্যবসার প্রয়োজনীয় কার্যকরী মূলধন
১৪. ব্যবসায় লোকসান হলে কী হবে?
ব্যবসায় ঝুঁকি রয়েছে এবং ব্যবসায় লোকসান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীকে বিনিয়োগের আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে অবহিত করা হবে। মুনাফা বা মূলধন ফেরতের কোনো বিষয়কে এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত নয় যাতে বিনিয়োগকারী এটিকে ব্যাংকের আমানতের মতো ঝুঁকিমুক্ত মনে করেন। তবে যখন কোনো বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে তখন আপনাদের সবার থেকে পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তাই সাধারণত ঝুঁকি কম। লোকসান হলেও হয়তো কয়েক মাসের মুনাফা পাওয়া যাবে না তবে আমাদের যে পরিকল্পনা আছে তাতে আশা করছি আপনার মূল শেয়ারমূল্যের উপর কোনো প্রভাব পরবে না।
১৫. কোম্পানি কীভাবে আমার অর্থ ও মুনাফার হিসাব রাখবে?
প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের পরিমাণ, ইউনিট/শেয়ারের সংখ্যা, বিনিয়োগের তারিখ, মুনাফা প্রদান এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য কোম্পানির হিসাব ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হবে।
প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীকে তার বিনিয়োগের হিসাব/স্টেটমেন্ট প্রদান করা হবে।
১৬. কোম্পানি বর্তমানে কী ব্যবসা করছে?
বর্তমানে স্বাগতম বাংলাদেশ লিমিটেডের আলিয়া ব্র্যান্ডের অধীনে হলুদের গুঁড়া ও মরিচের গুঁড়া বাজারজাত করা হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যে ধনিয়ার গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, পাঁচফোড়ন, গরম মসলার গুঁড়া, সরিষার তেল এবং সয়াবিন তেল ও ষ্টেশনারি পণ্য বাজারজাত করা হবে এবং পরবর্তী বিনিয়োগের মেয়াদে আরও বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাজারজাত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
১৭. কোম্পানির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে খাঁটি উপাদানের মসলা বাজারজাত করা। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুলভ মূল্যে খাতা, কলম ও স্টেশনারি পণ্য সরবরাহের একটি ব্যবসায়িক কার্যক্রম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে একটি বহুমুখী ভোক্তা-পণ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাগতম বাংলাদেশ লিমিটেডকে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
১৮. বিনিয়োগের আগে কি কোম্পানির তথ্য দেখতে পারব?
হ্যাঁ। বিনিয়োগের আগে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম, পণ্য, পরিকল্পনা, বিনিয়োগের শর্ত, সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রকাশ করা হবে। বিনিয়োগকারীকে পর্যাপ্ত তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
১৯. আমি কি আমার বিনিয়োগ অন্য কাউকে হস্তান্তর করতে পারব?
না, আপনি চাইলে সরাসরি বিনিয়োগের অর্থ ফেরত নিতে পারবেন এবং পরবর্তীতে আর আমাদের সাথে বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত হতে পারবেন না। কারন আমরা সিমীত কিছু সংখ্যক বিশ্বস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে নিশ্চিন্তে এগিয়ে যেতে চাই।
২০. আমি কীভাবে বিনিয়োগ করব?
প্রথমে নিম্নে প্রকাশিত কোম্পানির তথ্য ও বিনিয়োগের শর্তগুলো পড়তে হবে। আগ্রহী হলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কোম্পানির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে শেয়র মুল্যের অর্থ জমা করে আপনার পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে বিনিয়োগকারী হতে পারবেন।
২১. কোম্পানি কীভাবে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে?
কোম্পানির গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও আপডেট নির্ধারিত Telegram Channel-এ প্রকাশ করা হবে। প্রয়োজনে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নির্ধারিত রিপোর্ট/স্টেটমেন্টের মাধ্যমেও তথ্য প্রদান করা হবে।
২২. কেন Telegram Channel ব্যবহার করা হচ্ছে?
Telegram Channel ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছে কোম্পানির তথ্য, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, আপডেট, FAQ এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা যায়। WhatsApp গ্রুপে লিমিট মাত্র ১,০২৪ জন, এছাড়া WhatsApp এর তুলনায় টেলিগ্রাম ব্যবহার সুবিধাজনক ও তথ্য হারিয়ে যাওয়ার সুযোগ কম থাকে।
বিনিয়োগ করার আগে আমার কী কী বিষয় যাচাই করা উচিত?
কোম্পানির আইনগত অবস্থান যাচাই করা;
কোম্পানির ব্যবসা ও আর্থিক তথ্য বোঝা;
বিনিয়োগের মেয়াদ জানা (৭) নং অনুযায়ী;
মূলধন ফেরতের শর্ত জানা (৮) নং অনুযায়ী;
মুনাফার শর্ত বোঝা (১২) নং অনুযায়ী ;
বিনিয়োগের অর্থ কোথায় ব্যবহার হবে তা জানা (১৩) নং অনুযায়ী;
লোকসানের ঝুঁকি বোঝা (১৪) নং অনুযায়ী ;
প্রয়োজনে আইনজীবী / হিসাবরক্ষক / আর্থিক পরামর্শকের পরামর্শ নেওয়া।
বিঃদ্রঃ আপনি চাইলে আমাদের অফিস ও কারখানা ভিজিট করে মেশিনারি ও বর্তমান সম্পদ দেখে শুনে তারপর বিনিয়োগ করতে পারেন।
ঠিকানা: আর.কে রোড, রায়পুর বাজার, কুড়িগ্রাম সদর।
মোবাইল: 01511-255800
এখন বলি এই মডেলের ব্যবসায়ে সাধারণ অসুবিধা-
এটি ক্রাউড ফান্ডিং বিজনেস মডেল, এই মডেলের ব্যবসায়ে আপনি সাধারণ অংশীদার বা বিনিয়োগকারীর ভুমিকা পালন করবেন। এখানে আমরা ব্যবসায়ের সমস্থ ব্যবস্থাপনা বা কার্যকলাপ সম্পন্ন করে ব্যবসা ও আপনার আমানতকে অক্ষুণ্ণ রাখতে কাজ করবো। এজন্য আমাদের প্রতি আপনার বিশ্বাস ও আস্থা রাখতে হবে। আর আপনার বিশ্বাসের সম্মান যেন আমরা রক্ষা করতে পারি সেজন্য দোয়া কামনা করছি।
বিনিয়োগ পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন-
বিনিয়োগ করতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হলো-
আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে ভাল হয় এবং উক্ত ব্যাংক থেকে আমাদের ব্যাংকে শেয়ার পরিমাণ অর্থ ট্রান্সফার করে লেনদেনের স্ক্রিনশট পাঠাতে হবে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তথ্য-
(ক) পূবালী ব্যাংক পিএলসি
অ্যাকাউন্ট নাম: Sagotom Bangladesh Limited
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 1552901043756
শাখা: কুড়িগ্রাম সদর
(খ) ডাচ্ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং
অ্যাকাউন্ট নাম: Sagotom Bangladesh Trading
অ্যাকাউন্ট নম্বর: 2627101278966
শাখা: কুড়িগ্রাম সদর, খলিলগঞ্জ এজেন্ট শাখা
(গ) বিকাশ, রকেট ও নগদ
01511255800 (পার্সোনাল)
যদি আপনার বিকাশ, রকেট বা নগদে টাকা থাকে তাহলে হাজারে ৮ টাকা খরচ সহ সেটি সেন্ড করবেন অন্যথায় সম্পূর্ণ অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানোর অনুরোধ করছি।
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও আপনার হাফ ছবি তুলে পাঠাতে হবে।
নমিনীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন এর ছবি পাঠাতে হবে।
সবকিছু সঠিকভাবে পাঠানোর পর একটি বিনিয়োগকারী বা সদস্য আইডি নাম্বার পাবেন।
সকল তথ্য/ছবি/স্ক্রিনশট 01511-255800 নাম্বারে টেলিগ্রাম বা হোয়াটসঅ্যাপ এ পাঠাতে হবে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য-
আমরা আপনার কাছে নতুন তাই আপনার অল্প মূল্যে বিনিয়োগ করে আমাদের যাচাই করে দেখেন আমরা আপনার আমানত রক্ষা করতে পারি কি না। টাকার মূল্য এতটাই কমে গেছে যে বর্তমানে ১ হাজার টাকায় তেমন ভালো কিছু কেনা সম্ভবই হয় না। এই ১ হাজার টাকা আমাদের দেন আমরা আপনাদের সবাইকে নিয়ে ভালো কিছু করার চেষ্টা করি।
বিনিয়োগ পরবর্তী একটি টেলিগ্রাম চ্যানেল ও একটি গ্রুপে আপনাকে জয়েন করা হবে এবং সেখানে ব্যবসায়িক স্বচ্ছতার যাবতীয় হিসাব প্রকাশ করা হবে। এছাড়া সেই চ্যানেল ও গ্রুপের মাধ্যমে আপনার থেকে ব্যবসায়ীক বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত গ্রহণ করা হবে।